গত পরশু প্রিয়দল ব্রাজিল জিতে গেল। এই আনন্দে সেই দলের সাপোর্টাররা অনেকেই বাড়িতে মিষ্টি খেয়েছে, কেউবা পিকনিক করেছে চান্দা তুলে, আবার কেউ হয়তো গরুই মেরে দিয়েছে।
আমি বই পড়েছি। হুমায়ূন আহমেদের একটা বই পড়ছিলাম। তিনি তাঁর লেখায় হালকা কথার মাঝেও হঠাৎ গভীর জ্ঞানের কথা বলে ফেলেন।
তাঁর মতে, একদম নিখুঁত মানুষ খুঁজতে যেয়ো না। বিধাতা মানুষের ভেতর কিছু কিছু খুঁত ঢুকিয়ে দিয়েছেন; নিখুঁত মানুষ খুঁজতে গেলে তুমি ভালোবাসার কোনো মানুষই খুঁজে পাবে না।
এই কথাতেই বেচারা প্রতিবেশী গোলাম রাব্বানীর কথা মনে পড়লে আর পড়া এগুতে পারলাম না।
গোলাম রাব্বানী জীবনে বড় কোনো অপরাধ করেন নি। সরকারি চাকরি করেছেন, সময়মতো কর দিয়েছেন, প্রতিবেশীর সঙ্গে ঝগড়া করেন নি, এমনকি বাসে উঠেও কখনো জানালার সিট নিয়ে হাতাহাতি করেন নি। কিন্তু মানুষ যে নিজের ভাগ্য নিজে লিখতে পারে না, তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ হলো, তিনি বিয়ে করেছিলেন চামেলি বেগমকে।
চামেলি বেগম পৃথিবীর সেই বিরল প্রজাতির মানুষ, যাদের কাছে ‘নিখুঁত’ বলে কিছু নেই। পৃথিবী সৃষ্টির সময় যদি তিনি উপস্থিত থাকতেন, তাহলে সপ্তম দিনে স্রষ্টাকে বলতেন, “সব ঠিক আছে, কিন্তু চাঁদটা আরেকটু ডানদিকে হলে দেখতে ভালো লাগত।”
চামেলি বেগমের জীবনের মূলমন্ত্র—“খুঁত আছে, তাই আমি আছি।”
সকালে ঘুম থেকে উঠেই শুরু হয় তার খুঁত সন্ধান অভিযান। গোলাম রাব্বানী ঘুম থেকে উঠে হয়তো একটু হাই তুললেন।
“এই যে হাই তুললে, মুখটা এত বড় করে খোলার কী দরকার ছিল ? এটা কি হরমুজ প্রণালি ? ট্রাম্প-এর জাহাজ পার করার ব্যবস্থা করছো ?”
রাব্বানী চুপ। দাঁত কপাটি লাগার অবস্থা! সে প্রসঙ্গ পরিবর্তন করতে চা খেতে বসেছে।
“কাপ এভাবে ধরে মানুষ ? হাতলটা কি সাজানোর জন্য ?”
আশ্চর্য ব্যাপার! অমিতাভ বচ্চন শব্দ করে চা খেয়েই সিনেমা হিট করে ফেলল! আর আমি জাস্ট কাপের বাউন্ডারি ধরাতেই দোষ! ধুর শালা, চা-ই খাব না। লুঙ্গি ঝেড়ে ড্রইংরুমের সোফায় গিয়ে বসেন তিনি। আহ, জমিয়ে পত্রিকাটা পড়া যাক এবার।
ডাইনিং থেকেই চামেলির ঝাঁঝালো কণ্ঠ, “কাগজটা এমন শব্দ করে ওলটাও কেন ? পাশের ফ্ল্যাটের মনসুর সাহেব তো ভাববে ভূমিকম্প হয়েছে!”
এতসব শুনেও মানুষটা বেঁচে আছেন—এটাই আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের এক অমীমাংসিত রহস্য।
বাজার করার ট্র্যাজেডি তো আরও ভয়ংকর!
ছুটির দিনের সকাল মানেই রাব্বানীর কাছে আতঙ্কের নাম।
চামেলি বেগম হাতে একটা ব্যাগ আর মুখে পঁচিশটি নির্দেশনা দিয়ে বলেন, “শোনো, আলু কিনবে মাঝারি সাইজের। বেশি বড় হলে ভেতরে ফাঁপা থাকে, ছোট হলে খোসা ছাড়াতে কষ্ট। টমেটো কিনবে লাল, কিন্তু বেশি লাল না। কাঁচামরিচ হবে ঝাল, কিন্তু খুব ঝাল না। মাছের চোখ টলটলে হবে, তবে বেশি টলটলে না। বাঁধাকপি নেবে কাঁচামরিচের সাথে ম্যাচ করে!” এটা নিশ্চিত করার জন্য রাব্বানির ডান কানে চশমার ডান্ডিতে একটা স্যাম্পল কাঁচামরিচ ঢুকিয়ে দেয় চামেলি। তার মাথায় কোনোমতেই মরিচের সাথে কপির ম্যাচিং ব্যাপারটা ঢুকছে না। তবুও তিনি খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে বাজার কুড়িয়ে নিয়ে আসেন। রাব্বানীর মনে হয়, তিনি বাজারে যাচ্ছেন না; নাসায় মহাকাশযান উৎক্ষেপণের দায়িত্ব নিয়ে যাচ্ছেন।
বাজার থেকে ফিরলে শুরু হয় যুদ্ধের দ্বিতীয় পর্ব।
“এই আলু এনেছ ?”
“হ্যাঁ।”
“এগুলো আলু ? এগুলো তো আলুর আত্মীয়স্বজন!”
রাব্বানী আলু বিতর্কে না গিয়ে এবার সোজা মাছে ঢুকে পড়েন।
“মাছটা দেখো, কী টাটকা!”
“টাটকা ? এটাকে টাটকা মাছ বলে! চোখ এত ঘোলাটে কেন ? মরে মুখ হাঁ হয়ে আছে আর আমাকে টাটকা দেখায়! আর ওই মরা মিনসে মাছটা আমাকে দেখে হাসছে কেন ? নিশ্চয়ই পুরোনো।”
একদিন রাব্বানী সাহস করে বললেন, “তুমি একদিন বাজারে চলো না ?”
চামেলি বেগম দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, “আমি গেলে দোকানদারদের আর ব্যবসা করা লাগবে না।”
রাব্বানী মনে মনে বললেন, “তুমি না গেলেও তাদের ব্যবসা বন্ধ।” কারণ তাকে কিছুক্ষণের মধ্যেই সকল সদাই হাতে পায়ে ধরে আবারও ফেরত দিয়ে আসতে হবে। সারা দিন এই বাজার সওদা নিয়ে গুতোগুতির পরে রাব্বানীর বড় সাধ হয় একটু নরম বিছানায় গা এলিয়ে দিতে। কিন্তু এখানেও তার ভয়। কেননা, রাতের বেলা মানুষ বিছানায় যায় ঘুমাতে। চামেলি বেগম যান গবেষণা করতে।

বালিশটা একটু উঁচু। সমস্যা।
চাদরে এক ইঞ্চি ভাঁজ। সমস্যা।
মশারির এক কোণ একটু ঢিলা। সমস্যা।
রাব্বানী ডানদিকে কাত হলেন।
সমস্যা।
বাঁদিকে কাত হলেন। আরও বড় সমস্যা।
শেষে চামেলি বললেন, “তুমি ঘুমানোর সময় এত নড়াচড়া করো কেন ?”
রাব্বানী বিনীতভাবে বললেন, “কারণ আমি জীবিত।”
চামেলি গম্ভীর হয়ে বললেন, “তাই বলে এতটা জীবিত ?”
চামেলি বেগমের নিজের ঘুম পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্য।
তিনি বালিশে মাথা রাখার তিন মিনিটের মধ্যে এমন গভীর ঘুমে চলে যান যে, পাশের বাড়িতে ব্যান্ড পার্টি বাজলেও টের পাবেন না।
কিন্তু গোলাম রাব্বানী যদি ঘুমের মধ্যে সামান্য “ঘরর...” করেন, সঙ্গে সঙ্গে বজ্রপাত।
“এই! আবার শুরু হলো!”
রাব্বানী আধা ঘুমে বলেন, “আমি কী করেছি ?”
“নাক ডেকেছো।”
“আমি তো ঘুমিয়ে ছিলাম।”
“ঘুমিয়ে থাকলেই কি অপরাধ কমে যায় ?”
বেচারা এরপর নাক ডাকার জন্যও ক্ষমা চান।
বাথরুমের সংবিধান চামেলি নিজের মতো করে লিখেছেন।
চামেলি বেগমের কাছে বাথরুম একটি পবিত্র স্থান।
তিনি ঢোকার আগে পাঁচ মিনিট পরিদর্শন করেন।
বেরিয়ে এসে আরও দশ মিনিট পর্যালোচনা করেন।
একদিন রাব্বানী ভুল করে তোয়ালেটা একটু অন্য জায়গায় রাখলেন। চামেলি এমনভাবে তাকালেন যেন রাষ্ট্রের সংবিধান বদলে ফেলা হয়েছে।
“তোয়ালেটা এখানে কেন ?”
“ওখানে রেখেছিলাম।”
“ওখানে রাখার কী যুক্তি ?”
রাব্বানী উত্তর খুঁজে পেলেন না।
বিজ্ঞানের ইতিহাসে অনেক প্রশ্নের উত্তর মিলেছে, কিন্তু স্ত্রীর ‘কেন’ প্রশ্নের উত্তর এখনো কেউ আবিষ্কার করতে পারে নি। আচ্ছা, স্বামী নিজের মানুষ। ঠেঙাগানি খেয়েও হজম করে নিবে। কাজের বাইরের লোক এগুলো মানবে কেন বলেন তো!
তাদের বাসার কাজের মেয়ে লতিফা প্রায়ই চাকরি ছেড়ে দেওয়ার কথা ভাবে।
চামেলি বলেন, “ঝাড়ু ঠিকমতো হয় নি।”
মোছা শেষ।
“মোছাটাও ঠিক হয় নি। আচ্ছা লতিফা তোর হাত কি আল্লাহ পেশি ছাড়াই বানিয়েছে ? একবারের বেশি দুইবার তোকে ফ্লোরে প্যাঁচ মারতে দেখি নি কোনোদিন।
“আফা, আমি আর পারথাম না। সামনের মাসে ডবল পেশিওয়ালা বুয়া থন।”
পেশি নাই, “কিন্তু মেসির মতো তো ভালোই ড্রিবলিং শিখেছিস!” লতিফা বাধ্য হয়ে আবার প্যাঁচ মারে ফ্লোরে।
বাসন ধোয়া শেষ।
“গ্লাসে পানির দাগ কেন ?”
একদিন লতিফা সাহস করে বলল, “আফা, আমি যদি আরেকবার ধুই ?”
চামেলি বললেন, “ধুতে পারিস, কিন্তু আগের মতো যেন না হয়।”
লতিফা তখন বুঝল, সমস্যা তার কাজে নয়; সমস্যা চামেলি বেগমের চোখে। সেই চোখ এমন এক্স-রে ক্ষমতাসম্পন্ন যে, ধুলোর কণাও লজ্জায় পালিয়ে যেতে চায়।
গেল সপ্তাহে গোলাম রাব্বানী আমাকে চায়ের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। আমি মাগরিবের পরেই হাতে এক কিলো ছানার জিলাপি নিয়ে হাজির হলাম। মেহমান বলে কথা! খালি হাতে আসি কী করে! কিন্তু, চামেলি বেগমের বাসায় অতিথি হিসেবে প্রথমে হাসিমুখে প্রবেশ করলেও, পরে পরীক্ষার্থী সেজে বের হতে হয়েছে।
“চা কেমন লাগল ভাই ?”
“ভালো।”
“ভালো মানে ? চিনি বেশি, না কম ?”
“না, ঠিক আছে।”
“ঠিক আছে মানে ?”
আমি তখন মনে মনে দোয়া পড়ি। ঠিক তখনই আমার বউয়ের জরুরি কল আসায় বের হয়ে আসতে পেরেছিলাম।
এত কিছুর পরও গোলাম রাব্বানী একদিন আমাকে বললেন, “জানো, আমার স্ত্রী আসলে খুব ভালো মানুষ।”
আমি বিস্মিত।
“তাহলে এত অভিযোগ করেন কেন ?”
রাব্বানী মুচকি হেসে বললেন, “অভিযোগ করি না। আমি শুধু বেঁচে থাকার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করি।”
আমি জিজ্ঞেস করি, “আপনি এত বছর টিকে আছেন কীভাবে ?”
রাব্বানী বলল, “বিবাহিত জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো—সব প্রশ্নের উত্তর দিতে হয় না। মাঝে মাঝে শুধু বলতে হয়, ‘হ্যাঁ, ঠিক বলেছ।’ এই একটি বাক্য অনেক সংসার বাঁচিয়েছে।”
শেষ কথা
পাড়ার সবাই চামেলি বেগমকে একটু ভয় পায়। কারণ তিনি মানুষের দোষ ধরেন না, দোষ খুঁজে বের করেন। আর গোলাম রাব্বানীকে সবাই একটু মায়া করে। ছুটির দিন এলেই তাকে বাজারের ব্যাগ হাতে দেখা যায়। মুখে এক অদ্ভুত প্রশান্তি— যেন যুদ্ধক্ষেত্রে যাচ্ছেন, কিন্তু ফলাফল আগেই জেনে গেছেন।
তবে আশ্চর্যের বিষয়, একদিন চামেলি বেগম বাপের বাড়ি গেলেন তিন দিনের জন্য।
প্রথম দিন রাব্বানী ইচ্ছেমতো বাজার করলেন। আলু বড় না ছোট, টমেটো কাঁচা না পাকা—কিছুই ভাবলেন না। বিছানায় আড়াআড়ি হয়ে ঘুমালেন, নাক ডাকলেন, বাথরুমে তোয়ালে যেখানে খুশি রাখলেন। মনে হলো, এ যেন স্বাধীনতার স্বাদ।
দ্বিতীয় দিন বাসাটা কেমন যেন ফাঁকা লাগল।
তৃতীয় দিন তিনি নিজেই বিছানার চাদর টানটান করে বিছালেন, বালিশ ঠিক করলেন, বাজার থেকে সবচেয়ে ভালো সবজি বেছে আনলেন, এমনকি বাথরুম থেকে বেরিয়ে তোয়ালেটাও নির্দিষ্ট জায়গায় ঝুলিয়ে রাখলেন।
সন্ধ্যায় চামেলি বেগম ফিরে দরজায় ঢুকতেই প্রথম প্রশ্ন করলেন, “বাজারে ভালো মাছ পাওয়া গিয়েছিল ?”
রাব্বানী হেসে বললেন, “পেয়েছিলাম।”
চামেলি মাছ দেখে বললেন, “হুম...আরেকটু ভালো হলে ভালো হতো।”
রাব্বানী হাসলেন। বহু বছরের অভিজ্ঞতায় তিনি জেনে গেছেন—চামেলি বেগমের কাছে পৃথিবী কখনোই শতভাগ নিখুঁত হবে না। আর হয়তো সেই খুঁতখুঁতানিই সংসারটাকে সচল রাখে। কারণ যেখানে কেউ খুঁত ধরে, সেখানেই আরেকজন নীরবে হাসে; আর সেই হাসির ভেতর দিয়েই সংসারের সবচেয়ে বড় গল্পটিই প্রতিদিন নতুন করে লেখা হয়।
আমার প্রতিবেশী গোলাম রাব্বানির গল্প পড়ে হয়তো অনেকেই ভাবছেন, খুঁতখুঁতে মেয়ের পাল্লায় পড়লে তো জীবন শেষ!
তাদের জন্য বিখ্যাত এক লোকের গল্প শোনাতে চাই।
সক্রেটিসের প্রথম স্ত্রী জ্যানথিপি খুব সুন্দরী ছিলেন। কিন্তু মুখে ছিল বিষ আর চোখে আগুন। সক্রেটিসের ঘরে প্রতিদিন ঝগড়া লেগেই থাকত।
বউয়ের অভিযোগ হলো, সারা দিন জ্ঞান বিলায় লোকটা। বিনিময়ে একটি কড়িও নেন না। কোনো আয় উপার্জন নেই। ঘরে তিন-তিনটি সন্তান, এক স্ত্রী। সম্পদ যা আছে তা গরিবদের দিয়েই শেষ করে চলছেন।
কত আর সহ্য করা যায় ?
একরাতের ঘটনা। সেইরাতে তাদের কোনো খাবারের ব্যবস্থা ছিল না। অথচ খাবারের ব্যবস্থা না করে সক্রেটিস বসে বসে ধ্যান করছেন। সুন্দরী জ্যানথিপির সহ্য হলো না এটা । শুরু করলেন ঝগড়া। সে তুমুল ঝগড়া।
যেই সেই বকা নয়, ভয়াবহ কিছু! তবে সেটা ছিল একপেশে প্লাবন।
সক্রেটিস কোনো বাক্য ব্যয় না করে নীরবে ঘর থেকে বেরিয়ে চাঁদের আলোয় শুরু করলেন বইপড়া।
জ্যানথিপি এটা দেখে তো আরও আগুন!
সেই রাগ সহ্য করতে না পেরে ঘরে সারা দিনের জমানো গামলার ময়লা পানি ঢেলে দিলেন সক্রেটিসের ওপর!
সক্রেটিস রাগ করলেন না। বরং হেসে বললেন, “এত গুরুগম্ভীর মেঘের গর্জনের পরে একপশলা বৃষ্টি না হলে কি আর শোভা পায় ?”
গ্রীষ্ম হোক আর শীত হোক, সক্রেটিসের গায়ে থাকত একটাই কোট। সব ঋতুতে এটাই পরতেন। অন্য কোনো জামা ছিলো না তার। পায়ে ছিল না কোনো জুতা। তাকে জিজ্ঞেস করা হলো, “সুখের সুযোগ ত্যাগ করে এত কষ্টের জীবন কেন বেছে নিলেন ?”
সক্রেটিস বললেন, “এটা বেছে নিলাম, যাতে লোভের কুকুরগুলো বুঝে—সত্য, জ্ঞান ও স্বাধীনতা এমন এমন এক সুখ, যাকে ক্রয় করতে হয় কষ্ট ও কৃচ্ছ্রতার বিনিময়ে!”
সেখান থেকেই আমরা পাই তাঁর বিখ্যাত উক্তি—“যদি তুমি ভালো বউ পাও তাহলে তুমি সুখী হবে, আর না পেলে তুমি হবে দার্শনিক।”
তাই তো, বাংলার ঘরে ঘরে আজ দার্শনিকের অভাব নেই।
Leave a Reply
Your identity will not be published.