কাজের স্বীকৃতি পেতে সবাই চায়। আর সেই স্বীকৃতি পেলে কাজের প্রতি উৎসাহ আরও বেড়ে যায়। অথচ একত্রিশ বছর আগেও এদেশে দেখা গেছে শুধু ব্যান্ডসংগীত, চলচ্চিত্র কিংবা আধুনিক গানের শিল্পীরাই তাদের কাজের স্বীকৃতি পেয়েছেন। অন্যরা থেকে গেছেন উপেক্ষিত। এই বঞ্চনা দূর করার জন্য ২০০৪ সালে এগিয়ে আসে দেশের টেলিকম খাতের অন্যতম শীর্ষ ব্র্যান্ড সিটিসেল এবং স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল আই। তারা যৌথভাবে প্রবর্তন করে ‘সিটিসেল-চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ড’ (শুরুতে এই নামেই যাত্রা শুরু করেছিল মর্যাদাপূর্ণ এই ইভেন্টটি)। প্রথম আয়োজনটি অনুষ্ঠিত হয় ২০০৫ সালের ২৮ জুলাই, সন্ধ্যায়, হোটেল সোনারগাঁওয়ের বলরুমে। বলা যায়, শুধু গানের ক্ষেত্রে ভালো কাজের আলাদা পুরস্কার দেওয়ার এটি ছিল প্রথম উদ্যোগ। এই পর্যন্ত উনিশবার এই পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে এবং যতই দিন গেছে এই পুরস্কারটি নতুন মাত্রায় উদ্ভাসিত হয়েছে এবং সমৃদ্ধ হয়েছে। এই পুরস্কারের পরিধি বেড়েছে। দেশীয় একটি ইভেন্ট থেকে আজ এটি আন্তর্জাতিক ইভেন্টে পরিণত হয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মর্যাদাসম্পন্ন একটি সংগীতানুষ্ঠানের অবয়ব লাভ করেছে।
এই পুরস্কারের জাঁকজমকপূর্ণ ২০তম আসরটি এবার অনুষ্ঠিত হবে বগুড়ায়। স্পন্সর প্রতিষ্ঠান টিএমএসএস। আগামীকাল, ৭ এপ্রিল, মঙ্গলবার উত্তরবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী শহর বগুড়ার নান্দনিক পাঁচ তারকা হোটেল এন্ড রিসোর্ট মমো ইন-এর উন্মুক্ত মাঠে। এই ‘টিএমএসএস চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ড’-এর প্রকল্প পরিচালক রাজু আলীম জানিয়েছেন, এ বছর আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন শিল্পী কনকচাঁপা এবং বিশেষ সম্মাননা পাচ্ছেন শিল্পী কাঙ্গালিনী সুফিয়া। এছাড়াও আরও ১৮টি ক্যাটাগরিতে এ পুরস্কার প্রদান করা হবে। উল্লেখ্য, এই জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে উপস্থিত থাকবেন ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লি. চ্যানেল আই-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর, পরিচালক ও বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজ, টিএমএসএস-এর প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক ড. হোসনে আরা বেগম, শিল্পী রুনা লায়লা, সাবিনা ইয়াসমিন, আফজাল হোসেন, মো. খুরশীদ আলম, রফিকুল আলম, কোনাল, ঝিলিক, ইমরান, লিজা, লুইপাসহ দেশ বরেণ্য শিল্পী ও কলাকুশলীবৃন্দ।
Leave a Reply
Your identity will not be published.