গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশে, বিশেষত সামাজিক মাধ্যমে, মানুষের মধ্যে একটি প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। সেটি হলো, কেউ অসুস্থ অবস্থায় দেশ কিংবা বিদেশে হাসপাতালের শয্যায় শুয়ে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। চিকিৎসকরা আপ্রাণ চেষ্টা করছেন তাঁকে সুস্থ করে তোলার জন্য। কিন্তু ওই অবস্থায় সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে যে, মানুষটি মারা গিয়েছেন। এমন উদাহরণ অনেক দেওয়া যায়। যেমন, শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় একদা রাজধানীর একটি হাসপাতালে প্রয়াত নায়করাজ রাজ্জাক ভর্তি হয়েছিলেন। তাঁর চিকিৎসা চলছিল। কিন্তু সামাজিক মাধ্যমে তখন প্রচারিত হয়েছিল যে তিনি মারা গিয়েছেন। চলচ্চিত্রের আরেক অভিনেতা প্রয়াত এটি এম শামসুজ্জামানের ক্ষেত্রেও এমন ঘটেছিল। তিনবার তাঁর মৃত্যুর মিথ্যে খবর প্রচারিত হয়েছিল। কিছুদিন আগে নায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনেরও মৃত্যুর খবর নিয়ে গুজব রটেছিল। এটি একটি সামাজিক অপরাধ।
সামাজিক মাধ্যমে গতকাল থেকে এমনই আরেকটি মিথ্যে মৃত্যুর খবর প্রচারিত হচ্ছে। সেটি হলো, বিশিষ্ট শিশুসাহিত্যিক এবং চ্যানেল আইয়ের অনুষ্ঠান বিভাগের প্রধান আমীরুল ইসলাম মৃত্যুবরণ করেছেন। প্রকৃত খবর হলো, গত কয়েকদিন ধরে কিডনি-সংক্রান্ত জটিলতায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে তিনি রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। লাইফ সাপোর্টে আছেন। চিকিৎসকরা আপ্রাণ চেষ্টা করছেন তাঁকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য। তাঁর স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীরা দেশের মানুষের কাছে অনুরোধ করেছেন তাঁকে প্রার্থনায় রাখার জন্য।
Leave a Reply
Your identity will not be published.