‘ঢাকা ব্যাংক আনন্দ আলো সাহিত্য পুরস্কার ২০২৫’ পেলেন ৭ লেখক। এ উপলক্ষে পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হলো আজ মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, চ্যানেল আই ভবনে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা ব্যাংকের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সরকার। সম্মানিত অতিথি হিসেবে ছিলেন দৈনিক ‘মানবজমিনে’র প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ‘আনন্দ আলো’ সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি, বিশিষ্ট শিশুসাহিত্যিক ফরিদুর রেজা সাগর এবং অন্যপ্রকাশ-এর প্রধান নির্বাহী ও ‘অন্যদিন’ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম। এর আগে ‘ঢাকা ব্যাংক-আনন্দ আলো সাহিত্য পুরস্কার ২০২৫’-এ কবিতা, উপন্যাস, প্রবন্ধ, শিশু সাহিত্য ও প্রথম বই এই পাঁচটি শাখায় মোট ৮জন লেখককে পুরস্কৃত করার জন্য মনোনীত করা হয়।
২০২৫ সালে বাংলা একাডেমি আয়োজিত একুশে বইমেলায় প্রকাশিত গ্রন্থের জন্য এবারের পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন : কবিতায় আব্দুল হাই শিকদার, শিশুসাহিত্যে (যৌথভাবে) আমীরুল ইসলাম ও মাহবুবা চৌধুরী। কথাসাহিত্যে সাদাত হোসাইন, প্রবন্ধে মাহবুব আজীজ, প্রথম বই শাখায় দিদারুল আলম এবং সাহিত্যে তারুণ্যের পুরস্কার পেয়েছেন শানারেই দেবী শানু। পুরস্কারপ্রাপ্ত গুণী লেখকদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মাননা, ক্রেস্ট ও উত্তলীয় তুলে দেন অনুষ্ঠানের অতিথিবৃন্দরা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ‘আনন্দ আলো’ সম্পাদক রেজানুর রহমান এবং সহ-সম্পাদক রাজু আলীম। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে বাংলা একাডেমি আয়োজিত একুশে বইমেলায় প্রকাশিত গ্রন্থ থেকে শ্রেষ্ঠ কাজগুলোর জন্য এই সাহিত্য পুরস্কার ঘোষণা করা হয়।
ঢাকা ব্যাংক-আনন্দ আলো সাহিত্য পুরস্কার ২০২৫ পেলেন ৭ গুণী লেখক
অন্যদিন ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০ টি মন্তব্য
Related Articles
গোবিন্দচন্দ্র দাস : রাজদ্রোহী এক স্বভাবকবি
দীপংকর গৌতম২৭ অক্টোবর ২০২৫গোবিন্দচন্দ্র দাস। কবিতায় মূর্ত হয়ে উঠেছে নারীভক্তি, পতি-পত্নীর প্রেম, ভ্রাতৃস্নেহ, সন্তানবাৎসল্য, বন্ধুপ্রীতি, গাহর্স্থ্য জীবনের সুখ-দুঃখের কাহিনি, পল্লিজীবনের আলেখ্য।
শামসুর রাহমান: যাঁর কবিতার সর্বাঙ্গে আধুনিকতা
মোমিন রহমান১৮ অগাস্ট ২০২১মুন্সীবাড়িতে ঢুকি। একতলা একটি পাকা দালান দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এই দালানের একটি ঘরেই শামসুর রাহমান থাকতেন, যখন তিনি এখানে আসতেন। আর হ্যাঁ, বাড়িটির নাম ‘বায়তুল আমান’।
ফিরে যাবার পথ অনিশ্চিত। আনোয়ারা সৈয়দ হক
আনোয়ারা সৈয়দ হক২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১যে আবদুল কাদিরের কথার নড়চড় হয় না, যে কিনা একটা বিশাল মুক্তিযুদ্ধে নিজের শৌর্যবীর্য দেখিয়ে ফিরে এসেছে স্বাভাবিক এক জীবনে, যার কথার নড়চড় সহজে হয় না, সে কিনা ‘আমি আগামীকালই আবার আসছি’ বলে আজ ছ’মাস ধরে হাওয়া!
হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামবাংলার বায়োস্কোপ
মো. মুনিরুজ্জামান২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫বায়োস্কোপ ছিল অনেকটা গ্রাম-বাংলার ভ্রাম্যমাণ সিনেমা হলের মতো। বায়োস্কোপওয়ালারা মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে রং-বেরঙের কাপড় পরে, হাতে ঝুনঝুনি বাজিয়ে ছুটে চলত গ্রামের হাটবাজার, স্কুল কিংবা গ্রামের সরু রাস্তা ধরে।
Leave a Reply
Your identity will not be published.