সার্বিয়া: শুভ্র শহরের দেশে (দ্বিতীয় পর্ব)

সার্বিয়া: শুভ্র শহরের দেশে (দ্বিতীয় পর্ব)

[কর্মসংস্থান, উচ্চশিক্ষা বা ঘোরাঘুরি— এসব ক্ষেত্রে ভ্রমণপিপাসু বেশির ভাগ মানুষের ঝোঁক পশ্চিম ইউরোপের দিকে। অথচ পাহাড়-নদী-প্রকৃতির সৌন্দর্যে বিখ্যাত পূর্ব ইউরোপও। যেখানে রয়েছে সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য আর ইতিহাস-ঐতিহ্যের বাস্তবধর্মী পাঠ। এমনই এক দেশ সার্বিয়া। ভ্রমণের বহুরৈখিক পথে লেখকের কাছে নতুন উপজীব্য হয়ে ওঠে সার্বিয়ান এক তরুণী। ঠিক প্রেম নয়, প্রেমের চেয়ে কম কিছুও নয়। পার্থিব দৃশ্যপটের সঙ্গে উঠে এসেছে রোমান্সের হৃদয় ছোঁয়া-না ছোঁয়ার গল্পও। যার পুরো বর্ণনা থাকছে ইমদাদ হকের এই ভ্রমণকাহিনিতে। আজ পড়ুন দ্বিতীয় পর্ব।]   

প্রথম পর্ব পড়তে ক্লিক করুন

সার্বিয়ানরা কী খায়?

ফ্রেশ হতে হতে দুপুর হয়ে যায়। ডাক পড়ে দুপুরের খাবারের। লবিতে আসার জন্য লিফটে উঠি। লিফটে উঠতে চাবির ছোঁয়া লাগে, নিচে নামতেও লাগে। অন্য হোটেলে সাধারণত নিচে নামার জন্য চাবির ছোঁয়া না দিলেও চলে। কিন্তু সম্মেলন উপলক্ষে বিশেষ এই নিরাপত্তা। প্রতিটি ফ্লোরে লিফটের সামনে সুঠামদেহী সিকিউরিটি অফিসার, তাও আবার দুজন করে।

হোটেল লবি থেকে বের হই। গাড়ি এসে সামনে দাঁড়ায়, উঠে বসি। প্রথম দিনেই সার্বিয়ান খাবারের সন্ধান। বাইরের ঝুম বৃষ্টিতে তখন গাড়ির গ্লাসে বাষ্প। 

হোটেল ক্রাউন প্লাজা থেকে কয়েক মিনিটের দূরত্বে স্কাডারসকা এলাকা। প্রধান সড়ক থেকে একটু ভেতরে। দুপুরের খাবারের আয়োজন ‘রেস্টুরেন্ট ট্রি সেসিরা’তে। সার্বিয়ান শব্দটার বাংলা মানে দাঁড়ায় তিনটা টুপি। ভিড়ের দিক বিবেচনা করলে ঢাকার স্টার কাবাবের মতো। অনেক লোকের সমাগম। পরিবেশটা স্টার কাবাবের চেয়ে একটু গাম্ভীর্যপূর্ণ। উচ্চবিত্ত শ্রেণির লোকজনের যাতায়াত বেশি।

রেস্টুরেন্টের দেওয়ালে ঐতিহ্যবাহী চিত্রকলা, কয়েকটা প্রাচীন আমলের ছবি।

‘কিসের ছবি হতে পারে?’

আমাদের দেশে জিলাপি-মিষ্টির দোকান, খাবার হোটেলেও ছবি টানানো থাকে। রেস্টুরেন্টের মালিক বা তার পিতার ছবি, যার হাত ধরে সেই দোকানের শুরু। কলকাতাতেও এমন চল দেখেছি।

আকাশ যেন নিজেকে ছেড়ে দিয়েছে বেলগ্রেডের সীমানায়। এই বৃষ্টি প্রেমের রোমান্টিকতার বৃষ্টি নয়, তীব্র ঠান্ডার কণা বয়ে আনা বৃষ্টি। শরীরে ঠান্ডার ইঞ্জেকশন পুশ করে দেয়। এবার আমি শীতের গরম ও ভারী পোশাক সঙ্গে আনি নি।

আসার আগে গুগল বলেছিল, ‘তাপমাত্রা থাকবে ১০ থেকে ১২ ডিগ্রি, রাতে কমে আসবে ৫-৬ এর কাছাকাছি।’

উলটো হয়েছে। অনেকটা নাকি ঢাকায় প্রচলিত কথার মতো।

ঠিক দেড় মাস আগেই যখন নেদারল্যান্ড-সুইজারল্যান্ড গেলাম, তখনো বিরূপ অভিজ্ঞতা। গুগল দেখে, খোঁজখবর নিয়ে লাগেজ ভর্তি করে শীতের পোশাক নিলাম। গিয়ে দেখি, তাপমাত্রা ঢাকার মতোই, ১৮-২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

দূতাবাসের কর্মকর্তাদের মুখ তখন কাঁচুমাচু, অনেক দিন পর স্যার এত সুন্দর রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়া।

নেদারল্যান্ডে নাকি ৪৬দিন পর রোদ দেখা গেল, তাও আমরা যেদিন সেখানে গেলাম, ওই দিনই। লাগেজের মোটা কাপড়চোপড় আর কাজে লাগে নি।

সার্বিয়ায় খেসারত দিতে হলো গুনে গুনে। গাড়ি থেকে নেমে হোটেলে ঢোকার আগে গায়ে কয়েক ফোঁটা বৃষ্টি পড়ে। তাতেই ঠান্ডায় হাড়ে হাড় ঠোকার কাঁপাকাঁপি।

গত কয়েক বছর ধরে ইউরোপের দেশগুলোতে তীব্র ঠান্ডা। হচ্ছে প্রচুর তুষারপাতও, যাকে শুধু শীতের আবহাওয়া বলা যাবে না। এর কারণ ‘পোলার ভর্টেক্স’ বা ‘মেরু অঞ্চলে’র ঘূর্ণি শীতল বাতাস। উত্তর মেরু থেকে এই বাতাস ছড়িয়ে পড়ে অন্তর-আকাশে। পোলার ভর্টেক্সের সঙ্গে যোগ রয়েছে মাটির ১০ কিলোমিটার ওপরের জেট স্ট্রিমের। মেরু অঞ্চলে গ্রীষ্মমণ্ডল থেকে গরম হাওয়া আসে। পোলার ভর্টেক্স সেই গরম হাওয়া এবং ঠান্ডা মেরু বাতাসের মাঝখান দিয়ে বইতে থাকে। এই জেট স্ট্রিমই আভাস দেয়, ‘ইউরোপে কতটা শীত পড়বে?’

যদি এটা শক্তিশালী হয়, গতি থাকে পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকেÑ তাহলে ইউরোপে হাওয়া বইবে, বৃষ্টি পড়বে, সুমেরু থেকে ঠান্ডা হাওয়া আটকাবে। কিন্তু যদি জেট স্ট্রিম দুর্বল হয়, তা হলে পোলার ভর্টেক্সও দুর্বল হয়ে পড়বে। ইউরোপজুড়ে শৈত্যপ্রবাহ বইবে।

শিল্পবিপ্লবের পর থেকে যথেচ্ছভাবে বিশ্বব্যাপী পেট্রোল-ডিজেল-কেরোসিন পোড়ানোর পরিমাণ বেড়েছে। এর মাত্রা বেশি উন্নত দেশগুলোতেই। ফলে বিশ্বের তাপমাত্রা বেড়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, ‘২০১০ থেকে ২০১৯-এর মধ্যে তাপমাত্রা ছিল সবচেয়ে বেশি। জলবায়ুর পরিবর্তন শুধু যে তাপমাত্রা বাড়িয়েছে তা-ই নয়, আবহাওয়াও হয়ে গেছে উলটাপালটা, হয়েছে তা চরমভাবেই। খামখেয়ালি বেড়েছে প্রকৃতির। গত ৪০ বছরে বিশ্বে তাপমাত্রা যতটা বেড়েছে, মেরু অঞ্চলে বেড়েছে তার প্রায় দ্বিগুণ।’

দক্ষিণ এশিয়ার মানুষজন, নাতিশীতোঞ্চ আবহাওয়ায় অভ্যস্ত। রোদের তাপ বাড়লে, আবহাওয়া একটু গরম হলে হাঁসফাঁস লাগে। আর তাপমাত্রা ১০-এর নিচে নামলে শরীর হয়ে পড়ে জুবুথবু।

সেখানে তাপমাত্রা পাঁচের ঘরে আসা মানে এক্কেবারেই হাড় কাঁপানিয়া শীত, অন্তত আমার জন্য। ছোটোবেলা থেকেই না কি আমার শীতে কাঁপুনি আসে।

রেস্টুরেন্টের ভেতরে ঠান্ডার বালাই নাই। ভেতরে রুম হিটার। গরমে গা ঘেমে উঠে।

হাতের মোবাইল তখনো অকেজো, প্রাণহীন অসাড়। ছবি উঠাচ্ছি ঠিকই, কিন্তু মোবাইলে নেট নাই। চোখ মুখ খিঁচকে আছি। এমদাদ চৌধুরীকে বলি, ‘ঘটনা কী? সিম অ্যাক্টিভেট হচ্ছে না কেন?’

‘এটা অভিজ্ঞতার ব্যাপার। সব সময় বৈয়াকরণিক সূত্র কাজ করে না। কয়েকটা ব্যতিক্রম থাকে, যাদের ধারেপিঠেও কোনো নিয়মের মধ্যে ফেলা যায় না। সার্বিয়ার মোবাইল কোম্পানিগুলো এমনই।’

চৌধুরী সাহেবের মৃদু হাসি।

আমার হাত থেকে মোবাইল নিলেন। টাচ পয়েন্টে পুটপুট করে কী করলেন, সিম অ্যাকটিভ হয়ে গেল। তার ভাবখানা এমন- ‘ইমদাদ, ছোট্ট এই কাজটাই পারো না!’

এই ভদ্রলোক সব সময় ইন্টারনেটের আওতায় থাকেন। হোক আকাশে, বিমানে, সাগরে বা জাহাজে। দুবাই থেকে বিমানে উঠে ছয় ঘণ্টার দূরত্বে বুখারেস্ট। এই দূরত্বের মাঝে দেখি তিনি মনোযোগ দিয়ে হোয়াটস আপে টেক্সট করছেন।

‘এখানেও নেট পেলেন?’

সেই স্মিত হাসি।

বেলগ্রেডে নেমেই ফোন করার চেষ্টা করছেন।

চোখ বড়ো বড়ো করে জিজ্ঞাসা করলাম, ‘সার্বিয়াতেও কি রোমানিয়ার সিম কাজ করছে? না হলে নেট পেলেন কীভাবে?’

ট্রি সেসিরার হোটেল বালিকা মেনু নিয়ে হাজির। খাবারদাবারে বরাবরই আমার উদারতা। নতুন দেশে নতুন খাবারই পছন্দ। অন্তত অভিজ্ঞতার ঝুলিটা ফুলে ওঠে, ঋদ্ধ হয় উদরও।

স্টার্টার হিসেবে কয়েক ধরনের জুসে সময় গেল ২৫ মিনিট।

এল মেইন ডিশ। গরু, ভেড়া আর মুরগির মাংসের গ্রিল, কাবাব, ভুনাসহ কয়েক পদ। সঙ্গে মাছ আর সবজি। আমাদের দেশের পোলাওয়ের মতো সরু চালের ভাত, সঙ্গে সার্বিয়ান ঐতিহ্যবাহী খাবার। খাবারের তালিকায় ছিল কাজম, যা তাজা ও পাস্তুরিত দুধ থেকে তৈরি একধরনের পনির। এটি সাধারণত রুটি হিসেবে অ্যাচ্যাটাইজার হিসাবে পরিবেশন করা হয়।

ইয়া লম্বা উঁচু আর মোটা মোটা লোকজনের ভিড়, স্বাভাবিকভাবেই তাদের চাহিদায় বেশি খাবার দরকার। ছুটির দিন বলে রেস্টুরেন্টটিতে ভোজনরসিকদের ভিড় বেশি। এমদাদ ভাই বলছিলেন, ‘এরা একই সঙ্গে কয়েক প্রকারের মেন্যু দিয়ে ডিশ ভর্তি করে নিবে। গল্প করবে আর খাবে, আস্তে, ধীরে, সময় নিয়ে। সঙ্গে ওয়াইন-বিয়ার থাকে, খাবার গলধঃকরণে বেগ পোহাতে হয় না। একটা গ্রুপের খাবার শেষ হতে লেগে যাবে তিন চার ঘণ্টা।’

সার্বিয়ার খাবারদাবার বেশ সমৃদ্ধ, সেই প্রাচীন আমল থেকেই। এদের কমন একটি মেনু হলো মাংস। মেষশাবক, শুয়োর, গরু, ছাগল, ভেড়া, হরিণের মাংস। এসব থেকে কাবাব, লুলি কাবাব, পাইলফ, কফ্টসহ অন্যান্য আইটেম তৈরি হয়। স্থানীয়দের বেশি পছন্দ শুয়োর আর মেষশাবকের মাংস। বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা সামুদ্রিক মাছের রেসিপিতে বেশ মশগুল সার্বিয়ান সম্প্রদায়। খাবারগুলো দেখতে আকর্ষণীয়, বিভিন্ন রঙে রাঙায়িত। তবে স্বাদ কম। এর কারণ, খাবারে মসলা ব্যবহার করা হয় না। ভারতীয় উপমহাদেশীয় লোকের তাই এই খাবারে রুচি কম।

সার্বিয়ানরা দিনে দুবার খেতে অভ্যস্ত, রাতে আর দিনে। আধুনিক যুগের স্রোত এসে তরুণ প্রজন্মকে অবশ্য সকালে নাশতা করতেও শিখিয়েছে। এর মধ্যে দুপুরের খাবার নিয়েই যত তোড়জোড়, বড়ো আয়োজন। রাতের বেলায় শুধু মাছ খেয়ে দিনের খাবার তালিকার সমাপ্তি টানেন কেউ কেউ। আমাদের দেশের বারবিকিউয়ের মতো করে রান্না করা মাছ এখানে বেশি জনপ্রিয়। সালাদের ক্ষেত্রে শসা, টমেটো, মরিচসহ অন্যান্য সবজি রয়েছে।

ডিশে খাবারের ফাঁকে ফাঁকে মরিচ গুঁজে রাখা, চারটা ইয়া লম্বা, হৃষ্টপুষ্ট মরিচ। শুরুতেই তুলে নিই একটা, পরে আরেকটা। এভাবে চারটাই সাবাড় করে দিই।

টেবিলের অন্যরা আড়চোখে আমার দিকে তাকিয়ে আছে।

‘কী যেন করে ফেললাম।’

সাইজে বড়ো হলেও মরিচে ঝাল নেই একেবারেই। এই মরিচের নাম ‘নিসকা সিপকা’। একই জাতীয় অন্য আরেক বিখ্যাত প্রজাতির মরিচ ‘ভিজানকা’ নামেই পরিচিত। সাইজে ৬ ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা মরিচের স্বাস্থ্য বেশ সবল, মোটাকাটা। কিন্তু ঝালের বেলায় অশ্বডিম্ব, মোটেও ঝাল নয়। মনে হবে ঘাসজাতীয় কিছু একটা চিবোচ্ছি। বগুড়া অঞ্চলের লোকজন এটা পেলে গবেষণা করে বের করা আঞ্চলিক গালি ব্যবহার করত।

খাবার চলাকালীন ছোটো গিটার আর বাজনা নিয়ে হাজির দুই সংগীতশিল্পী। খাবারের সময়েও গান! এই রেস্টুরেন্টের রীতি এটি। প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো এই রেস্টুরেন্ট। যাতে রয়েছে সার্বিয়ান সংস্কৃতি তুলে ধরার সব আয়োজনই। আনন্দপূর্ণ সময় কাটাতে রেস্টুরেন্টে তাই সবসময়ের ভিড়। যান্ত্রিক জীবনের ব্যস্ততা বহুগুণ। তার ফাঁকে কিছুটা প্রশান্তি পেতে নগরবাসীর এই বিশ্রামে বসে যাওয়া। ঢাকার রেস্টুরেন্টগুলোতেও এই চল শুরু হয়েছে। লোকসংগীত ও বাঙালি সংস্কৃতিকে তুলে ধরতে কেউ কেউ দেশীয় গানের আয়োজন করে। আধুনিক রেস্টুরেন্টগুলোতে থাকে হিপহপ গানের ব্যবস্থা। শিল্পমনাদের আনাগোনা বেশি এসব রেস্টুরেন্টে।

রেস্টুরেন্ট ট্রি সেসিরাতে ঐতিহ্য আর সংস্কৃতির ছোঁয়া সব জায়গায়। বসার চেয়ার, টেবিল, পরিবেশনের পাত্র নকশাকাটা। দেওয়ালে আঁকা ছবি, ভেতরের বনসাই গাছগাছালি, লাইটিংÑ সবকিছুতে বাহারি রঙের সাজসজ্জা। রেস্টুরেন্টটির পুরো ইন্টেরিয়রজুড়ে রয়েছে অসাধারণ সব ফোক পেইন্টিং। হস্তশিল্পের শৈল্পিক ছোঁয়ায় দেওয়ালের প্রতিটি অংশ অলংকৃত করা। রঙিন সব ছবি আর আলোকসজ্জায় কয়েক শ বছরের সার্বিয়ান সংস্কৃতি ও কৃষ্টির অসাধারণ বহিঃপ্রকাশ মুগ্ধ করার মতো। রুম হিটার আর রেস্টুরেন্টের বিশেষ দেওয়াল শীতকে ঠেলে দূরে রাখে। বাইরে ঠান্ডা থাকলেও ভেতরে গরম। শরীরে স্বস্তির ভাব আসে। এ ছাড়া এর রঙিন সাজসজ্জা মন ভালো করে দেয়।

‘কফি না চা? নাকি অন্যকিছু?’ মেইন ডিশের সঙ্গে রয়েছে ওয়াইন, বিয়ার, কফি, সুপ আর চা। আমার আঁকুপাঁকু থামছে না। কী নাই, কী খাই...?

বিকাল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামে। বাইরে তখনো বৃষ্টি। বেলগ্রেডে শীতের যেন হুড়মুড়িয়ে উৎসব! এমন আবহাওয়ায় সবার নজর দেশীয় খাবারে। দায়িত্ব নিলেন ইতালীতে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রথম সচিব সায়েম। ১২/১৫ কিলোমিটার দূরে কোথায় যেন ইন্ডিয়ান একটা রেস্টুরেন্ট আছে। বলামাত্রই তারা পাঠিয়ে দিল। ব্রয়লার মুরগি, ফুলকপি ভাজি, বেগুনভর্তা, মসুরের ডাল, সাদা ভাত।

(চলবে)

Leave a Reply

Your identity will not be published.